• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ১৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Festival Of Colours

রাজ্য

দোলের দিন দোকান না খোলায় মারধর, দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ, তিরে পঞ্চায়েত প্রধানের অনুগামীরা

মদ্যপানের অভিযোগ, দোকান না খোলায় মারধর, পাল্টা অভিযোগ। এতেই জড়িয়ে পড়েছেন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান। যা নিয়ে সরগরম উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা। বাগদার কৃষক বাজারের সামনে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের পার্টি অফিসের উল্টোদিকের দোকান। অভিযোগ এখানে প্রতিদিন মদ্যপান করে প্রধানের অনুগামীরা। সাম্প্রতিক দোকানের সামনে বসতে নিষেধ করেছিল দোকানের মালিক। অভিযোগ, হোলির দিন কেন দোকান খোলেনি সেই আক্রোশে দোকানের মালিক রাজু বিশ্বাস ঘর থেকে বেরোতেই তাকে হেনস্তা করে। প্রতিবাদ করতে গেলে প্রধানের অনুগামীরা একত্রিত হয়ে রাজু বিশ্বাসকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রাজুকে বাঁচাতে গেলে তার অন্তসত্ত্বা স্ত্রীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। বাড়ির উদ্দেশ্য করে বাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সঞ্জিত সরদার ইট নিয়ে আক্রমণ করে, তার ছোড়া ইঁট ওই মহিলার লাগে বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় রাজু বিশ্বাসের দোকান। এই বিষয়ে বাগদা থানার দ্বারস্থ হয়েছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। প্রধান কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।অন্তঃসত্ত্বা মহিলা অভিযোগ, তাঁর বাড়ির সামনের দোকানে বিভিন্ন সময় মদ্যপান করে গালাগাল করে প্রধানের অনুগামীরা। গতকাল তাঁর স্বামীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করলে স্বামী প্রতিবাদ করতেই তাঁকে মারধর শুরু করে। তিনি ঠেকাতে গেলে তাঁকে ধাক্কা মারা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের আশ্বাসে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন । যদিও এই বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম অভিযুক্ত শুভেন্দু মন্ডল। শুভেন্দুর দাবি, একজন প্রতিবন্ধী ছেলেকে মারধর করছিল দোকান মালিক, তিনি ঠেকাতে গেলে তাকেও মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনিও পাল্টা থানায় অভিযোগ করেছেন রাজুর বিরুদ্ধে। বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। পুলিশ তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বিশ্ব কবির বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব ১১ মার্চ, এবারও প্রবেশ নিষেধ সাধারণের

কবি গুরুর বিশ্বভারতীতে বসন্ত উৎসব হবে ১১ মার্চ। এবারও গতবারের মতো সাবেকি প্রথায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বসন্ত উৎসব। সেখানে একমাত্র বিশ্বভারতীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্তরাই অংশ গ্ৰহণ করতে পারবে। এবারও সাধারণের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসন্ত উৎসব নিয়ে বিশ্বভারতীর কর্মীমণ্ডলীর বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য বিনয় কুমার সোরেন, পাঠভবন, শিক্ষাসত্র সহ বিভিন্ন ভবনের অধ্যক্ষ এবং আধিকারিকরা। বৈঠক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক জানান, যেহেতু গৌর প্রাঙ্গন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, এখানে কয়েক ঘন্টার অনুষ্ঠানে পাঁচ লক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব। পৌষ মেলা হয় মেলার মাঠে। সেখানে ৬ দিন ধরে মেলা হয়েছে। তাই জনসমাগমের সংখ্যা ভাগ হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বভারতী সাধারণত দোলের দিন বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে না। আশ্রমে বসন্ত উৎসবের সাথে যুক্ত নয় কোনও ধর্মীয় অনুষঙ্গ। তাছাড়া হেরিটেজ তকমা রক্ষার্থে এবারও বিশ্বভারতী বেশি সতর্ক। ১১ মার্চ পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, আশ্রমিকদের নিয়ে বসন্তোৎসব করবে বিশ্বভারতী। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ বহাল থাকছে। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। এই হেরিটেজ তকমা রক্ষা করতে এবার সতর্ক বিশ্বভারতী। স্বাভাবিক ভাবে দোলপূর্ণিমার দিন হচ্ছে না বসন্তোৎসব। দোলপূর্ণিমা ১৪ মার্চ৷ তার কয়েক দিন আগে ১১ মার্চ বসন্তোৎসব পালন করবে বিশ্বভারতী। কারণ, ১৪ মার্চ শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের ভিড় থিক থিক করে৷ তাই ওই দিন বসন্তোৎসব করলে বহিরাগতরা আশ্রমে প্রবেশ করে যেতে পারে৷ এদিন, বসন্তোৎসব নিয়ে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মিমণ্ডলীর সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বিনয় কুমার সরেন। তাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ বিশ্বভারতীতে বসন্তোৎসব হতো আশ্রম মাঠে৷ আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘন্টা লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হত৷ উৎসবের সূচনার পরেই বহিরাগতদের তাণ্ডবের সাক্ষী বিশ্বভারতীর পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, আশ্রমিক, শান্তিনিকেতনবাসী সকলেই৷ এই আশ্রম মাঠ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী চৈতি বাড়ি, গৌরপ্রাঙ্গণ, ঘন্টা তলা, কালো বাড়ি, রামকিঙ্কর বেইজের মূল্যবান ভাস্কর্য প্রভৃতি। তাতেও আবির ছুঁড়ে দেওয়া হতে পারে৷ এছাড়া অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, বসন্তোৎসব শেষে বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসজুড়ে মিলত মদের রাশি রাশি বোতল, প্ল্যাস্টিক প্রভৃতি। এমনকি, বহিরাগতদের হেনস্থার শিকারও হতে হয়েছে বিশ্বভারতীর বহু ছাত্রীকে। এই বিশ্বভারতী বর্তমানে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। এই হেরিটেজ তকমা রক্ষার্থে আর বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার দিয়ে বসন্তোৎসব করতে চায় না বিশ্বভারতী। তাই এবারও বিশ্বভারতীর বসন্তোৎসবে বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবেন না৷ রবীন্দ্রসংগীত ও নৃত্যের মধ্যদিয়ে পড়ুয়ারা উদযাপন করবে বসন্তোৎসব।শেষবার ২০১৯ সালে আশ্রম মাঠে হয়েছিল বসন্তোৎসব। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল উৎসব। ২০২১ সাল থেকে তৎকালীন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বসন্তোৎসবে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন৷ এমনকি, ভিড় এড়াতে দোলপূর্ণিমার দিন বসন্তোৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

জামালপুরে দোল খেলতে যাওয়ার সময় আক্রান্ত রাজ্য বিজেপি নেতা

শ্বশুর বাড়ির দোল উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবার পথে দুস্কৃতি হামলার শিকার হলেন রাজ্য বিজেপি নেতা কল্যাণ চৌবে। শুক্রবার বিকাল পৌনে চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার মসাগ্রাম রেল গেট এলাকায়। ঘটনা বিষয়ে এদিন সন্ধ্যায় জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কল্যান চৌবে। তাঁর অভিযোগের তীর যদিও তৃণমূলের দিকেই। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি নেতার আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার উল্টোডাঙ্গা নিবাসী কল্যাণ চৌবে দলের উত্তর কলকাতার সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি রাজ্য বিজেপিরও সদস্য। জামালপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে কল্যান চৌবে জানিয়েছেন, শ্বশুর বাড়ির দোল উৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এদিন তিনি জামালপুরের রাজারামপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। সামনের গাড়িতে তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। পিছনের গাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যা। বিকাল পৌনে চারটে নাগাদ তাঁরা মেমারি তারকেশ্বর রোডে মসাগ্রাম লেবেল ক্রসিং এর কাছে পৌছান। কলাণবাবু দাবি করেছেন, তাঁর গাড়ির সামনে বিজেপির একটি পতাকা লাগানো ছিল। এছাড়াও ড্যাসবোর্ডে রাখা ছিল উত্তরীয় ও ব্যাচ। এইসব দেখেই মসাগ্রাম রেল গেট এলাকায় থাকা দুস্কৃতি দল তাঁকে প্রাণে মেরে দেবার উদ্দেশ্যে আচমকাই তাঁর গাড়ির উপর চড়াও হয়। কল্যাণবাবু দাবি করেছেন, তাঁর নিরাপত্তা রক্ষীরা কোনক্রমে তাঁকে ও তাঁর পরিবার সদস্যদের রক্ষা করেন। হামলায় তাঁদের দুটি গাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলেও পুলিশকে জানিয়েছেন কল্যাণ চৌবে। থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর ফের স্বপরিবার রাজারামপুর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপি নেতা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিজেপির নেতার আনা এই অভিযোগ কতটা সত্য তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন জেলা তৃণমূলের মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস। পাল্টা অভিযোগে তিনি বলেন, ওই বিজেপি নেতার বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজনই হয়তো এইসব ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। পুলিশের তদন্তেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে।

মার্চ ১৯, ২০২২
রাজ্য

প্রাচীন ঐতিহ্য মেনে দোল পূর্ণিমায় রঙের উৎসবে মাতোয়ারা হন না বর্ধমান ও রাধাবল্লভবাটির বাসিন্দারা

দোল পূর্ণিমার দিন সারা বাংলা মাতোয়ারা থাকলো রঙের উৎসবে।কিন্তু সুপ্রাচীন ঐতিহ্য মেনে এই দিনটিতে আবিরের রঙে রাঙা হন না রাঢ়বঙ্গের অন্যতম প্রাচীন নগর বর্ধমানের বাসিন্দারা।এখানে দোল উৎসব পালিত হয় দোল পূর্ণিমার পরের দিন ।রাজা না থাকলেও শতাব্দী প্রাচীন কাল ধরে রাজরীতি মেনেই এই ভাবেই রঙের উৎসব পালন করে চলেছেন বর্ধমানবাসী। একই রকম ভাবে সাবেকী রীতি মেনে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের। রাধাবল্লভবাটি মৌজায় দোল পূর্ণিমার পরদিন পালিত হয় দোল উৎসব। যা জোড়া রাধাবল্লভের দোল নামেই খ্যাত।দোল পূর্ণিমার দিন বর্ধমানবাসী কেন রঙের উৎসবে মাতোয়ারা হন না তার পিছনেও রয়েছে দেবতাদের প্রতি ভক্তির কাহিনী। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয় চাঁদ মহতাব এই প্রথা চালু করেন। প্রথম দিন অর্থাৎ দোল পূর্ণিমার দিনটি বর্ধমানের অধিষ্টাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা দেবীর দোল। এও কথিত আছে বর্ধমানে দোল পূর্ণিমা তিথিটি হল ঠাকুর দেবতার দোল উৎসবের দিন। সেদিন শুধুমাত্র দেব-দেবীর রাঙা চরণ আবির ও কুমকুমে চর্চিত হবে। সেই উপলক্ষে রাজবাড়ির অন্দর মহলে খেলা হবে দোল। পরের দিন অনুষ্ঠিত হবে মানব সাধারণের রঙের উৎসব। সেই রীতির আজও সার্থক উত্তরাধিকারী বর্ধমানের মানুষ। ঐতিহ্য মেনে আজও দোল পূর্ণিমা তিথিতে প্রাচীন বর্ধমানের প্রানকেন্দ্র সর্ব্বমঙ্গলা বাড়িতে দোল উৎসব পালিত হয় এবং বর্ধমানবাসী পরের দিন দোল উৎসব পালন করে।একই রকম ঐতিহ্য মেনে দোল উৎসবের পরদিন জোড়া রাধাবল্লভের দোল উৎসবে মাতোয়ারা হন জামালপুরের রাধাবল্লভবাটি মৌজা এলাকার বাসিন্দারা। দীর্ঘ প্রায় চারশো বছর ধরে জোড়া রাধাবল্লভ পূজিত হয়ে আসছেন জামালপুরের রায় পরিবারের মন্দিরে। শনিবার রাধাবল্লভের চরণে আবির দিয়ে তারপর বিকালে রঙের উৎসবে মাতোয়ারা হবেন জামালপুরবাসী। মন্দির প্রাঙ্গনে বসবে মেলা। জোড়া রাধাবল্লভের পুজো দেখতে আশপাস এলাকারও বহু মানুষ মন্দির প্রাঙ্গনে এইদিন জড়ো হন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় আজও অন্যতম ঐতিহ্যের সাক্ষ বহন করেচলেছে জোড়া রাধাবল্লভের দোল উৎসব।জোড়া রাধাবল্লভের দোল উৎসব ঘিরে প্রচলিত রয়েছে নানা লোককথা। জামালপুরের রায় পরিবারের সদস্য প্রশান্ত কুমার রায় জানালেন, তাদের পূর্ব পুরুষরা ছিলেন রাজপুত। প্রায় চার শতাধিক বছর কাল আগে রাজস্থান থেকে বর্ধমানে বানিজ্য করতে এসেছিলেন তাদের রাজপুত সিংহ বংশিয় এক পূর্ব পুরুষ। বর্ধমান জেলার জামালপুরে তিনি আস্তানা গাড়েন। শত্রু আক্রমণ ঠেকাতে গড়কাটা হয় আস্তানার চারপাশ জুড়ে। সেই গড়কাটার সময় মাটি থেকে উদ্ধার হয় রাধাকৃষ্ণের অষ্টধাতুর একটি মূর্তি। রাধাকৃষ্ণ মূর্তিটি রাজপুত পরিবারের কাছে রাধাবল্লভ নামে পরিচিতি পায়। আস্তানা এলাকায় ছোট্ট একটি মন্দির গড়ে রাধাবল্লভের মূর্তির পুজোপাঠ শুরু করে রাজপুত পরিবার। সেই সমসাময়িক কালেই কোন এক বৈষ্ণব সাধক ওই মন্দিরের সামনে কষ্টিপাথরের কৃষ্ণ মূর্তি এবং অষ্ট ধাতুর রাধা মূর্তি ফেলে রেখে দিয়ে চলে যান। সেই থেকে দোল উৎসবের পরদিন প্রতিপদ তিথিতে জোড়া রাধাবল্লভের মূর্তির পুজোপাঠ হয়ে আসছে রাধাবল্লভ মন্দিরে। প্রশান্ত বাবু জানালেন পূর্বতন বর্ধমান মহারাজা জামালপুরের কয়েকটি মৌজা এলাকার জমিদারি দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাদের পূর্ব পুরুষদের। সেই সময় কালেই রাধাবল্লভ কে স্মরণ করে এখানকার জমিদারি মৌজা রাধাবল্লভবাটি মৌজা নামে পরিচিতি পায়। বর্ধমান মহারাজা কর্তৃক রায় উপাধিতে ভূষিত হয় রাজস্থান থেকে জামালপুরে আস্তানা গাড়া সিংহ পরিবার। ভক্তিতে ভর করেই জোড়া রাধাবল্লভের দোল উৎসবের দিনেই রঙের উৎসবে মাতেন জামালপুরের রাধাবল্লভবাটি মৌজার বাসিন্দারা।রায় পরিবারের অপর সদস্য পার্থপ্রতিম রায় জানালেন, দোল পূর্ণিমার দিন রাধাবল্লভ মন্দির প্রাঙ্গনে পরিবারের সকল সদস্য মিলে চাঁচর পোড়ান। পূর্ণিমার পর দিন প্রতিপদ তিথিতে বংশের মন্দিরে হয় রাধা বল্লভের পুজোপাঠ। পার্থপ্রতিম বাবু বলেন, রাধাবল্লভের ভোগ অন্নে শুক্তো চাই। এদিন সকাল থেকে শুরু হয় পুজোপাঠ। রাধাবল্লভের চরণে আবির দিয়ে বিকালে মন্দির চত্ত্বরে এলাকাবাসী আবির খেলায় মাতেন। সন্ধ্যায় বিতরণ করা হয় অন্ন ভোগ।

মার্চ ১৮, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

trinamool-organisational-reshuffle-kunal-ghosh-north-kolkata-president-arnab-bandyopadhyay

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় সাংগঠনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের তরফে প্রকাশিত নতুন তালিকা অনুযায়ী উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়েছে সায়নী ঘোষকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের অন্দরে চলা রাজনৈতিক আলোচনা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরে দলের মুখপাত্র এবং অন্যতম সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত কুণাল ঘোষ। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি প্রকাশ্যে তৃণমূলের হয়ে সরব ছিলেন।অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তর কলকাতার সাংগঠনিক দায়িত্ব এখন কুণাল ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে যুব সংগঠনের নেতৃত্বেও নতুন মুখ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী দিনের লড়াইকে সামনে রেখে দল নতুন করে সংগঠন সাজানোর চেষ্টা করছে। সেই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই রদবদলের ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় কী প্রভাব পড়ে এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কীভাবে কাজ করেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ ঘিরে ভয়াবহ সংকট! ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের আগে বাড়ছে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তেজনার আবহে আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি-সাত সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে দুই নেতার। সূত্রের খবর, সম্মেলনের ফাঁকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। সম্ভাব্য বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।দীর্ঘ সময় পর দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে বলেও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ করা হয়। বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলি এই জলপথের উপর নির্ভরশীল।ভারতের ক্ষেত্রেও হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। ফলে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং তা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মোদি ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক থেকে কী বার্তা উঠে আসে এবং আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

ভূপেন্দ্র যাদবের পর অমিত শাহ! দিল্লিতে সুদীপের একের পর এক বৈঠকে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে রাজনৈতিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে। লোকসভায় বহু বছর তিনি তৃণমূলের দলনেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথাও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত।সূত্রের দাবি, শনিবার দিল্লিতে পৌঁছে প্রথমে ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সেখানে বৈঠক শেষে তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানা যাচ্ছে। দুই নেতার মধ্যে কিছু সময় আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এই বৈঠকের পর থেকেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংসদদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। যদিও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে যুক্ত। অতীতে রাজনৈতিক মতপার্থক্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরে আসেন।দিল্লিতে তাঁর সাম্প্রতিক বৈঠকগুলি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার ২৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর ঘিরে তোলপাড়

একের পর এক মামলা, তলব এবং তদন্তের মধ্যেই এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। আমফান পরবর্তী ত্রাণ বিতরণে প্রায় ২৫০ কোটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।অভিযোগকারীদের দাবি, ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তৈরির জন্য উপভোক্তাদের ২০ হাজার টাকা এবং ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হয়। কিন্তু সেই ত্রাণ বণ্টন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বহু পাকা বাড়িকে ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে সরকারি অর্থ দেওয়া হয়েছে। এমনকী একই পরিবারের বা একই ছাদের নীচে বসবাসকারী একাধিক ব্যক্তির নামে আলাদা আলাদা করে আর্থিক সাহায্য মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, সরকারি সাহায্যের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একাধিক উপভোক্তার নাম একই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। একটি নম্বরে ১৩ জন এবং অন্য একটি নম্বরে ৮ জন উপভোক্তার তথ্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ বিতরণের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। তাঁর অভিযোগ, ত্রাণ বণ্টনের নামে বৃহৎ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে এবং তার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সম্প্রতি এক বিজেপি নেতা অভিযোগ করেছিলেন, প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে তাঁর উপর হামলার ঘটনায় অভিষেকের ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগ নিয়েও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।নতুন এফআইআর দায়ের হওয়ার পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। আমফান ত্রাণ বণ্টনকে কেন্দ্র করে ওঠা এই অভিযোগের তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুন ১৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে কি আরও এক বড় ভাঙন? দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে সুদীপ, তুঙ্গে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও উসকে দিল দিল্লির একটি বৈঠক। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করায় নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে যান বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে পরিচিত। লোকসভায় বহু বছর তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছিল। যদিও তখন প্রকাশ্যে কোনও অসন্তোষ দেখাননি সুদীপ।তবে বর্তমানে তৃণমূলের অন্দরে বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ এবং সাংসদদের অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, তবে সেখানে সুদীপ গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু একজন সাংসদ নন, তিনি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গঠন করেন, তখন প্রথম সারির যাঁরা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে সুদীপ অন্যতম। যদিও পরবর্তী সময়ে তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। একসময় তিনি দল ছেড়েও বেরিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ফিরে আসেন।সম্প্রতি তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সুদীপের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পেয়েছেন তিনি। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখন নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।তবে এই বৈঠক শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু দিল্লির এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal